সর্বশেষ খবর:

সংসদ টিভি লাইভ ক্লাস দেখুন এখন ইউটিউবে । সব ক্লাস পেতে schoobee bd সাসক্রইব করে বেল আইকন ক্লিক করুন CLICK Here-shorturl.at/jlrJ1  
মেনু নির্বাচন করুন

শিক্ষা ব্যবস্থা ও পরীক্ষা পদ্ধতি

বর্তমান যুগ প্রতিযোগিতার যুগ। তাই এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে চাই যুগোপযোগী আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা। নতুন নতুন সৃজনশীল জ্ঞান, দক্ষতা আর প্রযুক্তিগত জ্ঞানই হচ্ছে এর হাতিয়ার। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে।

প্রি স্কুল ও প্রিপারেটরী শাখা

পিজি থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যমত্ম অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সুপ্ত জীবন বিকাশের দিকে খেয়াল রেখেই শিক্ষাদান করা হয়ে থাকে। আনন্দের মাঝেই তাদের শিক্ষা। কাচা মাটির পুতুলের মত কচি শিশুদের মনের মত করে গড়ে তোলার দায়িত্বে রয়েছেন মাতৃসম শিক্ষিকাবৃন্দ। ভবিষ্যতে তাদের এ মাটির পুতুলটি যেন একটা আলোকিত সোনার মানুষে পরিণত হয় এটাই তাদের সাধনা। শিক্ষার্থীদের বাসত্মব ও মুর্ত ধারণা দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার হয়ে থাকে। তাদেরকে হাতে কলমে শিক্ষা য়ো হয়। আধুনিক জ্ঞানের পরশে নিজেকে পরশিত করার জন্য এনসিটিবি কর্তৃক প্রণীত পাঠ্যপুসত্মক ছাড়াও তাদেরকে আরো বহি:পুসত্মক অনুশীলন করানো হয়। ৩য় শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যমত্ম প্রজেক্ট করানো হয় এবং স্ক্র্যাপবৃক সংরক্ষণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের অঙ্কনে দক্ষ করে তোলার জন্য বিশেষভাবে জোর দেয়া হয়। প্রতিটি পার্বিক পরীক্ষার পূর্বে আমত্ম:মূল্যায়ন হিসেবে কমপক্ষে তিনটি শ্রেণী পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় এবং প্রাপ্ত নম্বর পার্বিক পরীক্ষার সাথে যুক্ত করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। তিনিটি পার্বিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ামত্ম ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীদের সমাপনী পরীক্ষার জন্য প্রস্ত্তত করার ক্ষেত্রে বিশেষ কোচিং এর ব্যবস্থা রয়েছে।

ফলাফল পদ্ধতি নিম্নরূপ:
পরীক্ষা
১ম পার্বিক
২য় পার্বিক
বার্ষিক
মোট
পাস নম্বর
গ্রহণযোগ্য নম্বর
২০%
২০%
৬০%
১০০%
৫০%

৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের চূড়াত্ম ফলাফল সমাপনী পরীক্ষার মাধ্যমে হয়ে থাকে।
মাধ্যমিক শাখা
মাধ্যমিক শাখার শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই সময়োচিত। বিশ্বায়নের যুগে জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়ার উপযুক্ত করে গড়ে তোলার জন্য আধুনিক যুগে উদ্ভাবিত পদ্ধতি ও কলাকৌশলের উপর ভিত্তি করে শিক্ষাদান করা হয়। এনসিটিবি কর্তৃক প্রণীত পাঠ্যপুসত্মক ছাড়াও তাদেরকে আরো বহি:পুসত্মক অনুশীলন করানো হয়। আমত্ম:মূল্যায়ন ও সার্বিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে যথেষ্ঠ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের জন্য বিষয়ভিত্তিক প্রজেক্ট করানো হয় এবং ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যমত্ম স্ক্র্যাপবুক সংরক্ষণ করা হয়। ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর বিজ্ঞান শাখার জন্য তাত্ত্বিক জ্ঞানের সাথে সাথে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের প্রতি বিশেষভাবে জোর দেয়া হয়। আমত্ম:মূল্যায়ন হিসেবে প্রতিটি পার্বিক পরীক্ষার পূর্বে কমপক্ষে তিনটি শ্রেণী পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া মৌখিক পরীক্ষা ও স্পট টেস্টের ব্যবস্থাও রয়েছে। ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জে,এস,সি, পরীক্ষার জন্য প্রস্ত্তত করার ক্ষেত্রে বিশেষ কোচিং ও মডেল টেস্টের ব্যবস্থা রয়েছে। জে,এস,সি নির্বাচনী পরীক্ষার মাধ্যমে জে,এস,সি পরীক্ষার জন্য পরীক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হয়। ১০ম শ্রেণীর ছাত্রীদের এস,এস,সি, পরীক্ষার জন্য উত্তমরুপে প্রস্ত্ততির ক্ষেত্রে তাদেরকে গ্রুপ বিভাজন করে একজন করে দায়িত্বশীল শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে ন্যাসত্ম করা হয় এবং তার বিভিন্ন সমস্যাগুলো উদ্ঘাটন করে সেগুলো সমস্যার মাধ্যমে তাকে প্রস্ত্তত করা হয়। তাদের দক্ষতা ও মান যাচাই এর জন্য ইউনিট ভিত্তিক মান যাচাই ও সাপ্তাহিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। প্রতিটি পার্বিক পরীক্ষার পূর্বে তাদের প্রস্ত্ততিমূলক মডেল টেস্ট গ্রহণ করা হয় এবং প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। নির্বাচনী পরীক্ষার পূর্বে একটি উপ নির্বাচনী পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় এবং তারপর এস,এস,সি, নির্বাচনী পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত এস,এস,সি, পরীক্ষার্থীদের আরো দক্ষ ও ও মান সম্মত করে গড়ে তোলার জন্য একটি মান উন্নয়ন এবং আর একটি চূড়ামত্ম মান উন্নয়ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ সকল মূল্যায়নের ভিত্তিতে একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা হয়। প্রতিটি পরীক্ষার গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রকাশিত হয়। শুধুমাত্র ইংরেজি ও গণিত বিষয় ছাড়া আর অন্যান্য সকল সৃজনশীল বিষয়ের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিম্নরূপ: সৃজনশীল নম্বর পরীক্ষা নৈর্ব্যক্তিক নম্ব মোট নম্বর পরিবর্তিত নম্বর আমত্ম:মূল্যায়ন নম্বর মোট প্রাপ্ত নম্বর পাস নম্বর ৬০ ৪০ ১০০ ৭০% ৩০% ১০০% (৬ষ্ঠ-৭ম)=৫০% ৯ম (২৮+১২)%=৪০% বাংলা ২য় পত্র, ইংরেজি ও গণিত সৃজনশীল বিষয়ের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিম্নরূপ: বিষয় লিখিত নম্বর পরিবর্তিত নম্বর আমত্ম:মূল্যায়ন নম্বর মোট নম্বর পাস নম্বর গণিত ১০০ ৮০% ২০% ১০০% (৩২+৮)%=৪০% উ.গণিত ৭৫ ৭৫% ব্যব ২৫% ১০০% (৩০+১০)%=৪০% ইংরেজি ১০০ ৭০% ৩০% ১০০% (২৮+১২)%=৪০% বাংলা ২য় ১০০ ৭০% ৩০% ১০০% (২৮+১২)%=৪০% বি:দ্র; প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে সৃজনশীল, নৈর্ব্যক্তিক, আমত্ম:মূল্যায়ন, ব্যবহারিক পরীক্ষায় পৃথকভাবে কৃতকার্য হতে হবে।

Top